অনলাইন ডেস্ক :

জনগণের হয়রানি বন্ধে আয়কর রিটার্ন দাখিল আরও সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

তিনি বলেন, করের আওতার বিস্তৃতির জন্য করবান্ধব সংস্কৃতি চালু করতে হবে। জনগণ যাতে অযথা হয়রানি না হয়, সেই লক্ষ্যে রিটার্ন দাখিল ও সম্পদ বিবরণী দাখিলের পদ্ধতি আরও সহজ করতে হবে।

তা ছাড়া বিকল্প বিরোধের মাধ্যমে কর-সংক্রান্ত মামলাগুলো নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রেও অধিক মনোযোগী হলে কর তথা রাজস্ব-সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি হবে এবং রাজস্ব আদায় বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে মাসিক পত্রিকা ‘করাদালত’-এর তিন দশক পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারের রাজস্ব নীতি প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, সরকার রাজস্ব আয় বাড়ানোর উদ্দেশ্যে করনীতি সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে এনবিআর রাজস্বের ৫০ শতাংশ আয়কর খাতে আদায়ের লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যা প্রশংসার দাবি রাখে। কারণ এক দশক আগেও এনবিআর আয়কর খাতে রাজস্বের মাত্র ২০ শতাংশ আদায় করত। এরই মধ্যে সরকার এ হারকে ৩৫ শতাংশে উন্নীত করেছে, যা আমাদের জন্য আশাব্যঞ্জক এবং পরার্থপরতার অর্থনীতি থেকে আমরা পরিত্রাণ পাচ্ছি। আশা করি কাঙ্ক্ষিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। তিনি কর ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

করাদালত পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক আইনজীবী আবু আমজাদের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন সাবেক বিচারপতি সৈয়দ আমীরুল ইসলাম, বার কাউন্সিলের সদস্য সৈয়দ রেজাউর রহমান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য সিরাজুল ইসলাম ও ট্যাপেস ল' ইয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনিরুল হুদা।