অথার নাম


সদর প্রতিনিধি : ফেনী সদর উপজেলায় জেএসসি পরীক্ষায় ৯ হাজার ২৮জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৬ হাজার ৫২জন পাশ করে। এর মধ্যে এ প্লাস পেয়েছে ৪শ ৪৭ জন। সদর উপজেলার ৬৩টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একজনও এ প্লাস পায়নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রুহিতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৯ জন্য পরীক্ষার্থীদের মধ্যে পাশ করেছে ৪ জন ও ছনুয়া ফাজিলপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৫ পরীক্ষার্থীদের মধ্যেই পাশ করেছে ৬ জন। লস্করহাট এসি লাহা ইনস্টিটিউট ৮৩ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১৩ জন পাশ করলে এ-প্লাস পায়নি একজনও। সোনাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ৩০জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৮ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। ছনুয়া উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। বোগদাদিয়া জুনিয়র বিদ্যালয় থেকে ৪৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১৫ জন, কোন এ-প্লাস পায়নি। খাইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। বেগম সামছুনাহার উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি।  ফেনী ল্যাবরেটরী হাই স্কুলে ৯০ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে পাশ করেছে ৪৩ জন, কোন এ-প্লাস পায়নি। পূর্ব কাছাড় উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ২৭ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১শ জন পাশ করেও ১ জনও এ-প্লাস পায়নি। মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয় ৯৬ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৭১ জন পাশ করেও কেউ এ-প্লাস পায়নি। আলহাজ্ব কোব্বাত আহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ৪৪ জনের মধ্যে ১শ ১৭ জন পাশ করেও কেউ এ-প্লাস পায়নি। বাগের হাট উচ্চ বিদ্যালয় ৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬০ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। রামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৪ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। ধর্মপুর আমিন উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ৫৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯২ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ৭৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। ফাজিলপুর ডব্লিউ বি কাধরী উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৮ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। ফকিরহাট আবু বকর উচ্চ বিদ্যালয় ৮৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৪ জন পাশ করলেও ১জনও এ-প্লাস পায়নি। গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ৮৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১শ ৩৯ জন পাশ করলেও ১জনও এ-প্লাস পায়নি। শিবপুর আরবিহাট উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ২৯জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬১ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। সামছু উদ্দিন ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ১৪জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৩ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। শর্শদি উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ৫জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯২ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। মৌটবি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ১শ ৩জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩০ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। মঠবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় ৭২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬০ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয় ৪৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। মধুয়াই উচ্চ বিদ্যালয় ৭৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬২ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। হকদি উচ্চ বিদ্যালয় ৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৮ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। পাঁচগাছিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৪৫জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৯ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। ফেনী পৌর বালিকা বিদ্যানিকেতন ১শ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৭ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। প্রগতি বালিকা বিদ্যানিকেতন ১৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ জন পাশ করলেও ১জনও এ-প্লাস পায়নি। আদর্শ নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি। বালুয়া চৌমুহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (নি¤œ মাধ্যমিক) ৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন পাশ করলেও ১জন এ-প্লাস পায়নি।
এছাড়াও ফেনী শহরের বড় তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল সন্তোষজনক নয়। ফেনী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ৫শ ৩২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪শ ৭৯ জন পাশ করলেও ৩০ জন এ-প্লাস পেয়েছে।  ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুল ৫শ ৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪শ ৮৩ জন পাশ করলেও ৩০ জন এ-প্লাস পেয়েছে।  ফেনী জিএ একাডেমী ৪শ ৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২শ ৮৪ জন পাশ করলেও ১৪ জন এ-প্লাস পেয়েছে।