অনলাইন ডেস্ক নিউজ

 


অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিধিমালার প্রকাশিত গেজেট বিষয়ে বুধবার আদেশের দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।মঙ্গলবার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম। ২০১৬ সালের ৭ নভেম্বর বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রণয়ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। কিন্তু সরকার গেজেট না করে বারবার সময় নিতে থাকে। এক পর্যায়ে এই ইস্যুতে সরকার ও আদালত মুখোমুখি অবস্থান নেয়। প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা পদত্যাগ করেন।
অবশেষে গত ১১ ডিসেম্বর অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরি শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করে সরকার।

বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির আদেশ ২ জানুয়ারি
নিম্ন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশ বিষয়ে পরবর্তী আদেশ ২ জানুয়ারি দেওয়া হবে। ১৩ ডিসেম্বর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

সকালে আপিল বিভাগ অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আজকে বেঞ্চের একজন বিচারপতি নেই। এটা তো ফুলবেঞ্চে হতে হবে। তাই আজকে নয়, আগামী ২ জানুয়ারি এটার আদেশ হবে।

এর আগে ১১ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হয়। বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণ বিধিমালার গেজেট প্রকাশে সরকারকে বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।

তারও আগে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।গত ৫ নভেম্বর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে গেজেট প্রকাশে রাষ্ট্রপক্ষের করা চার সপ্তাহের সময়ের আবেদনের শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছিলেন, আইনমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে বসতে চান।

এর মধ্যে গত ১৬ নভেম্বর রাতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে বৈঠক করেন আইনমন্ত্রী। ওইদিন বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, রাষ্ট্রপতির হুকুম পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা এ গেজেট প্রকাশ করবো।

এর আগে গত ২১ নভেম্বর রাজধানীতে এক অনুষ্ঠান শেষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, আমরা আলোচনার মাধ্যমে (আপিল বিভাগের সঙ্গে বৈঠক) যে ড্রাফটি এগ্রি করেছি সেটার ফাইনাল ড্রাফট করা হয়েছে এবং গতকাল (২০ নভেম্বর) সেটা সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট থেকে যে মুহূর্তে ফিরে আসবে আমি আইন মন্ত্রণালয় থেকে সেটা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেবো। এরপর সুপ্রিম কোর্ট থেকে সেটি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

গত ৮ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষের ৪ সপ্তাহের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত গেজেট প্রকাশের সময় বাড়ান দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ। আর গত ২০ আগস্ট পদত্যাগী প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ শুনানিশেষে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত।