আলী হায়দার মানিক : দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ছোট ফেনী নদী থেকে বালুদস্যুরা অবৈধভাবে বালিমাটি উত্তোলনের ফলে হুমকির মুখে ফসলী জমি, বাড়িঘর ও এলাকাবাসী। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বারবার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মোখিকভাবে অবহিত করলেও দৃশ্যমান কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিগত দুই বছর যাবত দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের উত্তরে ছোট ধলিয়া ও দক্ষিনে রাজাপুর ঘোনার মধ্যবর্তী স্থানের ছোট ফেনী নদী থেকে স্থানীয় প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে বালিমাটি উত্তোলনের ফলে ওই এলাকার বসতঘর ও ফসলী জমি হুমকির মুখে। অবৈধ বালিমাটি উত্তোলনের ফলে ফাটল ধরে ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে এলাকার ফসলী জমিগুলো। বালিমাটি উত্তোলনের কারনে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বসতঘর ও বাড়িগুলো। জানা গেছে, ছোট ধলিয়া গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির রফিক মিয়ার ছেলে অরুণ সহ একটি সিন্ডিকেট অবৈধ বালিমাটি উত্তোলন করছে। নাম প্রকাশে অনিশ্চুক এক বৃদ্ধ বলেন, রাতে ঘুমাতে গেলেও ভয়ে ঘুম আসে না। কখন কোন রাতে নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ঘুমন্ত অবস্থায় নদী গর্ভে তলিয়ে যাই। নাম প্রকাশে অনিশ্চুক একাধিক ব্যক্তি জানায়, অবৈধভাবে বালি মাটি উত্তোলনে ফলে নদী উপকন্ঠে ফসলী জমিগুলো ইতিমধ্যে ফাটল ধরেছে। বর্ষা এলে যে কোন সময় তলিয়ে যেতে পারে পুরো গ্রামের বাড়িঘরগুলো। তারা আরো জানান, অবৈধ বালিমাটি উত্তোলনের বিষয়টি ইতিমধ্যে মোখিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকে অবহিত করা হয়েছে। এলাকাবাসী উদ্বেগ উৎকন্ঠায় রয়েছেন।