স্টাফ রিপোর্টার : দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে মৃত্যুবরণকারী সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফির গ্রামে এখনো চলছে শোকের মাতম। রাফির স্বজনদের আহাজারীতে পৌর শহরের চরচান্দিয়া গ্রামের আকাশ বাতাস যেন ভারি হয়ে উঠেছে। আত্মীয়-স্বজন ছাড়াও দূরদুরান্ত থেকে শতশত নারী-পুরুষ তার বাড়িতে ভিড় করলেও পরিবারের সদস্যদের শান্তনা দেয়ার ভাষা কারো নেই। একদিকে শোক অন্যদিকে ক্ষোভ বিরাজ করছে পুরো এলাকা জুড়ে। রাফির মা শিরিন আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। মাঝেমাঝে জ্ঞান ফিরলে ‘রাফি রাফি’ বলে চিৎকার করেন। বাবা একেএম মুসাও নিরবে চোখের পানি ফেলছেন।

গতকাল শুক্রবার সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, ফজরের নামাজ আদায় করে শতশত মুসল্লী রাফির কবরস্থানে ভিড় জমায়। এখানে তার বাবা ও ভাইসহ অনেকেই ফাতিহা পাঠ করে মুনাজাতে অংশ নেন। জুমার নামাজ শেষে উপজেলার প্রায় প্রত্যেকটা মসজিদে বিশেষ দোয়া করা হয়।

অপরদিকে রাতে কাশ্মির বাজার সড়কের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন হওয়া রাফির কবর জিয়ারত করেছেন ফেনী সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী। এসময় জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবদুর রহমান বি.কম সহ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি রাফির বাবা মাওলানা একেএম মুসার সাথে স্বাক্ষাত করে শান্তনা দেন। শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। রাফির কবর পাকাকরন ছাড়াও সোনাগাজীতে তার নামে একটি সড়কের নামকরণ ও একটি ভবন নির্মাণের ঘোষনা দেন।