অনলাইন ডেস্ক নিউজ


শীতের শুষ্ক আবহাওয়া এবং আর্দ্রতার ঘাটতিতে সাধারণত এ সমস্যা দেখা যায়। শীত ছাড়াও গরমকালেও অনেকে এ সমস্যায় ভুগে থাকেন। শরীরে পানি স্বল্পতা, প্লাস্টিক-এর শক্ত জুতা পরিধান, শরীরের অতিরিক্ত ওজন, দীর্ঘক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে কাজ করা, গোসলের সময় অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার করা, দীর্ঘক্ষণ পা ভিজিয়ে রাখা, ডায়াবেটিস বা থাইরয়েড-এর সমস্যা, নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করাসহ ইত্যাদি নানা কারণে বছরের যে কোনো সময় পায়ের গোড়ালি ফেটে চৌচির হতে পারে। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। যেমন-
 
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে এবং শীতকালীন শাকসবজি খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। নরম ও আরামদায়ক জুতা পরিধান করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে জুতার তলা যেন শক্ত না হয়। পায়ের গোড়ালি যেন ঢেকে থাকে এমন জুতা পরতে চেষ্টা করুন। পা সব সময় পরিষ্কার রাখুন। বাইরে থেকে ফেরার পর কুসুম গরম পানি দিয়ে পা পরিষ্কার করুন এবং তেল বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। যারা বাইরে নিয়মিত বের হন তারা মোজাসহ পা বন্ধ জুতা ব্যবহার করতে পারেন। তবে মোজা যেন পরিষ্কার থাকে।
 
সপ্তাহে একদিন পায়ের বিশেষ যত্ন নিন। উষ্ণ গরম পানিতে ২০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এতে গোড়ালির মরা ত্বক নরম হবে। তারপর স্ক্রাবার দিয়ে মরা ত্বক পরিষ্কার করুন। সর্বশেষে একটি ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার যেমন- গ্লিসারিন, ভ্যাসলিন ইত্যাদি দিয়ে ম্যাসাজ করে নিন। তবে পা ফাটার প্রবণতা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে কিংবা সংক্রমণ হয়েছে বলে মনে হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে