অনলাইন ডেস্ক নিউজ

 

 
আবারো আলোচনায় শাকিব-অপু। এই তারকা জুটি বিয়ে করেন ২০০৮ সালে। অপু বিশ্বাস তাদের বিয়ের কথা একটি অনুষ্ঠানের লাইভে এসে প্রকাশ করেন সেদিন থেকেই শুরু হয় নানা টানাপোড়েন। শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস নিজেদের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দেন এই ঘটনার পর। শুধু ছেলে আব্রামের কারণে মাঝেমধ্যে দেখা হলেও কথা হয়নি দু’জনের। এমনকি ছেলের জন্মদিনের পার্টিতেও উপস্থিত ছিলেন না শাকিব। আর সবিশেষে এখন খবরের শিরোনাম হলো ‘তাদের সংসার নাকি ভাঙছে!’ সাম্প্রতিক সময়ে তিনি কলকাতার ছবি ‘মাস্ক’-এর শুটিংয়ে থাইল্যান্ডে অবস্থান করছেন। শাকিবের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, শাকিব খান থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরলেই ডিভোর্সের ব্যাপারে কাগজপত্র চূড়ান্ত করবেন।
 
সূত্রটি আরও জানায়, অপুর স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তের কারণেই নাকি তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটছে। বেশকিছু কারণে অপুর ওপর নাখোশ শাকিব। তার অনুমতি ছাড়াই নাকি অপু সব ধরনের কাজ করছেন। যে কাজগুলো শাকিব খানের বিরুদ্ধে যাচ্ছে। মিডিয়ায় শাকিবের শত্রু যারা তাদের সঙ্গেই অপুর ওঠাবসা। বিভিন্ন টকশো কিংবা আড্ডায় শাকিবকে অন্য নায়িকাদের সঙ্গে জড়িয়ে হেয় করে কথা বলাসহ আরও অনেক কারণে অপুর ওপর বিরক্ত শাকিব।
 
তবে অপুর সুর স্পষ্ট নয়। এ ব্যাপারে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘শাকিবও এখন দেশের বাইরে আছে। আমার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের ব্যাপারে কোনো কথা হয়নি। তবে শাকিব যদি এ ধরনের কোনো কিছু বলে থাকে তা হলে আপাতত কিছুই বলার নেই আমার। যেসব অভিযোগ করা হয়েছে এগুলো সত্য নয়। আমি চেষ্টা করি সবার মন জুগিয়ে চলার জন্য।’
 
এ বিষয়ে শাকিব বলেন, ‘সময় হলে সবকিছু স্পষ্ট হবে। আমি এখনই কিছু বলতে চাচ্ছি না। এমনিতেই আমি আমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত। এর মধ্যে কেউ যদি আমাকে হেনস্তা করার চেষ্টা করে সেটি মেনে নেওয়া যায় না। আমিও একজন মানুষ। বিষয়টি সবারই মনে রাখা উচিত।’