মহাসড়কের ঢাকাগামী সড়কে ফ্লাইওভারজুড়ে বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানীর কাউন্টার। তার সামনে সড়কের অর্ধেক দখল করে বাস দাঁড়ানো। তোলা হচ্ছে যাত্রীও। চট্টগ্রামগামী পরিবহন কাউন্টারের সামনেও একইচিত্র। রাস্তার দুই পাশের এই চিত্রের সাথে রয়েছে যত্রতত্র যাত্রী উঠানামা করা। বেপরোয়াভাবে চলছে সিএনজি অটোরিক্সা। ম্যাজিষ্ট্রেট কলোনী, ট্রমা সেন্ট্রার, আনসার ক্যাম্প ও বক্ষব্যাধি ক্লিনিক সম্মুখস্ত স্থানে গড়ে তোলা হয় সিএনজি অটোরিক্সা স্ট্যান্ড। একইভাবে শহরের প্রবেশমুখেও এলোমেলোভাবে রাখা হয় সিএনজি গাড়ীগুলো। মহিপালে বিশৃঙ্খল এই চিত্র নিত্যদিনের।

গতকাল দুপুর ১২টা। নোয়াখালীমুখী সড়কের অর্ধেক দখল করে দাঁড়িয়ে আছে সুগন্ধা পরিবহন, বসুরহাট এক্সপ্রেস, যমুনা, বলাকা, রয়েল, বাঁধন সহ বিভিন্ন কোম্পানীর বাস। এসব বাস নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও কোম্পানীগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ফ্লাইওভার সংলগ্ন হীরা সুইটস এর সামনে ফল মার্কেট পর্যন্ত স্থানে দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠাতে দেখা যায়। সেখানে বাস টার্মিনালে পরিনত হয়। প্রতিদিন এ রুটে সুগন্ধা পরিবহনে প্রায় ৯৩টি গাড়ী চলাচল করে। ট্রাাফিক পুলিশও নির্বিকার থাকতে দেখা যায়। এই স্থানটির কারনে সড়কটিতে যানজট লেগে থাকে। মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালালেও তারা চলে যাওয়ার পর আগের অবস্থায় ফিরে যায়। ইতিপূর্বে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নোয়াখালীগামী বাসগুলোকে মোড়ে অবস্থান না করে আনসার ক্যাম্পের সামনে, চট্টগ্রামগামী বাসগুলো হাজী নজির আহম্মদ ফিলিং স্টেশনের সামনে ও ঢাকাগামী বাসগুলো ট্রার্মিনালের সামনে অবস্থান নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হলেও তা বেশিদিন মানা হয়নি।

ফেনী জেলা বাস-মিনিবাস (সুগন্ধা) মালিক সমিতির সভাপতি কামরুজ্জামান চৌধুরী জানান, একদিকে ড্রেন নির্মাণ অন্যদিকে ফলের সারি সারি গাড়ী থাকায় নোয়াখালী রুটের গাড়ী বাখরাবাদ গ্যাস অফিস হয়ে যাতায়াত করতে হয়। তাই চালকরা বাধ্য হয়ে মহাসড়কে গাড়ী রেখে যাত্রী উঠাতে হচ্ছে।