অনলাইন ডেস্ক নিউজ

 


জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জামিন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালত মঙ্গলবার জামিনের এ আদেশ দেন। এর আগে সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন খালেদা জিয়া।
আদেশের পর খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা জানান, ম্যাডামের অসমাপ্ত বক্তব্য আজ শেষ করতে বলেছেন আদালত। বক্তব্য শেষ করতে না পারলে লিখিত কপি আদালতে জমা দিতে হবে। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার। এরপর খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থনে অসমাপ্ত বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন। এর আগে ১০টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর গুলশান বাসভবন থেকে খালেদা জিয়া রওনা দেন। বামদলের ডাকা হরতাল কর্মসূচি থাকায় এ দুই মামলায় গত ৩০ নভেম্বর খালেদা জিয়া আদালতে হাজির না হওয়ায় তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ আদালতের বিচারক ড. মো. আক্তারুজ্জামান। একই সঙ্গে উভয় মামলা যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ৫, ৬ ও ৭ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে মামলা দুটিতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় দফায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে মামলাটি করা হয়। খালেদা ছাড়াও এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের বোনের ছেলে মমিনুর রহমান