দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
দাগনভূঞায় চালককে পৈশাচিক কায়দায় পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে অটোরিকশা নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নে এঘটনা ঘটে। নিহত রিকশা চালক সমির কুমার দাস (২৭) মাতুভূঞা ইউনিয়নের রামানন্দপুর গ্রামের জেলে বাড়ির কার্তিক কুমার দাস ও রিনা দাসের বড় ছেলে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবন নির্বাহ করে আসছিলো সমীর। সাধারণত সে রাত ৮টার মধ্যে ঘরে ফেরে। কিন্তু গত রোববার রাত ১০ টার পরও বাড়িতে না ফেরায় দাগনভূঞার বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকে স্বজনরা। একপর্যায়ে তারা বিষয়টি পুলিশকেও অবহিত করে। রাত ২টার দিকে স্থানীয় লোকজন দক্ষিণ করিমপুর মুহুরি বাড়ির পাশে সমীরের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়জুল আজিম নোমান জানান,তার নাকে কোপের দাগ রয়েছে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও মাথা থেতলে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য সমীরের বাবা পেশায় একজন জেলে ও ছোট ভাইও অটোরিকশা চালক। তিন বছর পূর্বে সে বিয়ে করে ও দশ মাস বয়সের একটি ছেলে সন্তান আছে। দুই বোনের মধ্যে এক বোন শারিরীক প্রতিবন্ধী। সমীরের হত্যাকান্ডে এলাকাবাসী ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে।