মার্চ ৬, ২০২৬ ০৫:৪৬

আমার বাবা সবার জন্য কাজ করতে চান, ভবিষ্যতেও করবেন: নবাবপুরে তাবিথ আউয়াল

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর জ্যেষ্ঠ ছেলে ও বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেছেন, আবদুল আউয়াল মিন্টু আমার বাবা সেই জন্য বলছি না। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য অতীতেও কাজ করেছেন, ভবিষ্যতেও কাজ করবেন। আমার বাবা সবার জন্য কাজ করতে চান। তিনি যদিও একটি দলের পক্ষ থেকে ভোট করতে এসেছেন। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর সবার জন্য উন্নয়ন করবেন। তিনি শুধুমাত্র বিএনপির জন্য কাজ করেননি। তিনি সারাটা জীবন সবার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি আধুনিক প্রযুক্তিশীল কৃষি ব্যবস্থা চালু করার ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি একজন সফল ও অন্যতম উদ্যোক্তা। আমরা আমাদের এলাকার মানুষের জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে চাই। সেজন্য আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দল-মত নারী-পুরুষ সবাই মিলেমিশে ধানের শীষে ভোট দিবেন। তাহলেই আপনাদের কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব হবে।


গতকাল শনিবার দুপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সমর্থনে সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুরে মহিলা সমাবেশ ও নবীন প্রবীণদের সাথে মতবিনিময় সভায় তাবিথ আউয়াল এসব কথা বলেন।


নির্বাচন কেন্দ্র কমিটির আহবায়ক ডা. রবিউল হকের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আবদুল কাইয়ুমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জহিরুল আলম জহির, ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক ওমর ফারুক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক কেএম ফখরুদ্দীন ফারুক, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবু ইউসুফ, জেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য শরিফুল ইসলাম রানা ও মাসুদ রানা, যুবদল নেতা মাজহারুল ইসলাম পাটোয়ারী রাসেল প্রমুখ।


তাবিথ আউয়াল বলেন, আবদুল আউয়াল মিন্টু এলাকার মানুষকে ভালোবাসেন বলেই এলাকায় সর্বপ্রথম একটি মিল চালু করেছেন। ওখানে নারীরা বেশি কর্মরত ছিলেন। তিনি নারীদেরকে সবচেয়ে বেশি সম্মান করেন। সেজন্য আজকে নারী সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে। একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। অসংখ্য স্কুলসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। লাল তীর বীজ নামে একটি মান সম্পন্ন কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই বীজে ফলনও বেশি এবং ফসলের দামও বেশি পাওয়া যায়। আগামীদিনেও নারীরা সমাজে মাথা উঁচু করে চলতে আবদুল আউয়াল মিন্টু সবচেয়ে বেশি কাজ করবেন। আপনাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে আপনি নিজেও ভোট দিবেন এবং অন্যদেরকেও ভোট প্রদানে উৎসাহ প্রদান করবেন। যে মাত্রই আপনি আপনার ভোট প্রদান করবেন তখনই আপনার অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়ে যাবে। আপনি আপনার অধিকার আদায় করতে পারবেন। আসুন আমরা সবাই ধানের শীষে ভোট দিবো।


মোহাম্মদ জহিরুল আলম জহির বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদ আমলে এলাকায় ঠিকমতো থাকতে পারিনি। তারা বারবার আমাকে প্রাণনাশের হুমকি-ধমকি দিয়েছে। অনেকসময় আত্মগোপনে থেকে এলাকার মানুষের খোঁজখবর নিয়মিত রেখেছি। জনগণ থেকে কখনো বিচ্ছিন্ন হইনি। আওয়ামীলীগ পুরো এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। এরপরও আমরা জনগণের সাথে থাকার চেষ্টা করেছি। সেজন্য জনগণ আমাদেরকে সম্মান করেছেন। আজকেও ঠিক একই দাবী নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আমার রাজনৈতিক জীবনের অভিভাবক আবদুল আউয়াল মিন্টু একজন পরিচ্ছন্ন মানুষ। তিনি আপনাদের জন্য কাজ করতে চান। অতীতেও তিনি আপনাদের জন্য কাজ করেছেন। ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে কাজ করার জন্য আপনারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি মিন্টু ভাইকে ধানের শীষে বিপুল পরিমান ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন। তিনি এমপি নির্বাচিত হলে মন্ত্রী হবেন। তার সেই যোগ্যতা রয়েছে। তখন আপনাদের চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন করা সম্ভব হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন