অনলাইন ডেস্ক:
‘গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতায় মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছেন কবি-গবেষক ও গণমাধ্যমকর্মী শাবিহ মাহমুদ।
দৈনিক সংবাদ, দৈনিক আলোকিত গণমাধ্যম ও সাপ্তাহিক ফেনীর প্রয়াসে কর্মরত শাবিহ মাহমুদ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এর ২০২১ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন।
গতকাল শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত মাস্টার্সের ফলাফলে তিনি ৩.২৬ জিপিএ পেয়ে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এই কোর্সে তাঁর থিসিস পেপার ছিল ‘ফেনী জেলার সংবাদপত্রে কপি-পেস্ট প্রবণতার কারণ অনুসন্ধান’। তিনি কবিতা ও ইতিহাস গবেষণার পাশাপাশি একজন একজন দক্ষ সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবেও সমাদৃত।
শাবিহ মাহমুদ ফেনী সাহিত্য সভা ও মননধারা বাংলাদেশ এর আহবায়ক। এর আগে ফেনীতে তিনি দৈনিক ফেনীর সময় ও সাপ্তাহিক ফেনীবার্তা পত্রিকায় কাজ করেছেন।
প্রথম দশকের কবি শাবিহ মাহমুদের প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: কবিতা- না নৈহাটি না পুষ্পস্তবক ও পরকীয়া রাত; গবেষণাগ্রন্থ- নবীনচন্দ্র সেন: চিন্তা ও দর্শন (জেলা প্রশাসন প্রকাশিত, তৃতীয় মুদ্রণ)। এ গ্রন্থে উনিশ শতকের প্রখ্যাত কবি নবীন সেনের উন্নয়ন দর্শনকে জন স্টুয়ার্ট মিলের ‘উপযোগবাদী’ দর্শনের সমিল চেহারায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
এছাড়া এ. কে. এম. মক্রমবিল্ল্যা চৌধুরী ও শ্রীঅশ্বিনীকুমার সোম তত্ত্বনিধি লিখিত প্রায় শতবষের্র প্রাচীন ‘নোয়াখালীর ইতিহাস’ গ্রন্থটির সম্পাদনা ও ভূমিকা লিখেছেন তিনি। তাঁর অপর সম্পাদিত গ্রন্থ: ময়মনসিংহের কবিতা : ১৯৪৭-২০০৭ এবং ফেনী সাহিত্য সম্মেলন ২০২৫ স্মারকগ্রন্থ।
এছাড়া ফেনী জেলা প্রশাসন কর্তৃক সম্প্রতি প্রকাশিত গ্রন্থ- ‘দিঘির জনপদ ফেনী’ ও ‘একাত্তুরের ফেনী’র তিনি সহযোগী সম্পাদক।
তিনি গবেষণাকর্মের জন্য- ‘কবি আবদুল হাকিম পুরস্কার’ ও ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা’ লাভ করেছেন।
২০০৯ সালে তিনি নাট্যাচার্য ড. সেলিম আল দীন কর্তৃক ‘ওয়ার্ল্ড কালচারাল সেন্টারে’র প্রথম শাখার (ফেনী) সমন্বয়কের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছিলেন