জুন ২০, ২০২৬ ০০:১৪

ফেনীতে ‘অস্তিত্ব সংকটে সম্ভাবনাময় চামড়াশিল্প রক্ষা ও বিকাশে সরকারের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক চামড়া শিল্প রক্ষায় সরকারকে এগিয়ে আসার আহবান


শহর প্রতিনিধি :

ফেনীতে হেফাজতে ইসলামের আয়োজনে ‘অস্তিত্ব সংকটে সম্ভাবনাময় চামড়াশিল্প রক্ষা ও বিকাশে সরকারের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকাল ৪টায় শহরের শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়কের ডি রয়েল স্যালমন রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, খতিব, আলেম, সাংবাদিক সহ বিশিষ্টজনরা অংশ নেয়। সংগঠনের জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা সাইফ উদ্দিন কাসেমির সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা ওমর ফারুকের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, যুগ্ম-আহ্বায়ক গাজী হাবিবউল্লাহ মানিক, আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ আবদুর রহীম, হেফাজতের সহ-সভাপতি মুমিনুল হক জাবেরি, মাওলানা ইসমাইল হায়দার, স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন, এবিপার্টির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম বাদল, খেলাফত মজলিসের জেলা আমীর মাওলানা মোজাফফর আহমদ জাফরী, এনসিপির সদস্য সচিব শাহ ওয়ালি উল্লাহ মানিক, ইসলামী আন্দোলনের সেক্রেটারি একরামুল হক ভূঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলী মিল্লাত, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আমীর হোসেন, দৈনিক ফেনীর সম্পাদক আরিফুল আমিন রিজভী, হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা জালাল উদ্দীন ফারুকী, ফুলগাজী উপজেলা সেক্রেটারি মুফতি কাসেম নোমানী, সোনাগাজী উপজেলা সেক্রেটারি মুফতি নিজাম উদ্দিন, ফেনী সদর উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আইয়ুব, দাওয়াতী তাবলীগের প্রতিনিধি হাজী বেলাল হোসেন, ধোনসাহাদ্দা রশীদিয়া মাদরাসার মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, ছাগলনাইয়া উপজেলা মসজিদের খতিব আতাউল্লাহ সিফাত,আল হুদা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা আলাউদ্দিন নবী, খেলাফত মজলিসে ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব মুহাইমিন তাজিম।


বক্তারা বলেন, “চমড়া শিল্প রপ্তানি করে আমাদের আয় হয়। কিন্তু চামড়া শিল্পকে কিভাবে ধ্বংস করা হয়েছে তা আমরা দেখেছি। চামড়া শিল্পের যখন ধ্বস নামে তখন আমরা কওমি মাদরাসার হাহাকার দেখেছি। আমাদের এমন হয়েছে যে যারা চামড়া নেয় তারা অর্ধেক নেওয়ার পর আর চামড়া নিতে আসেনি। একপর্যায়ে নিলেও পরে শুনে তা ডাস্টবিনে পেলে দেওয়া হয়ে। আমরা চামড়া শিল্পে এখন কঠিন সময় পার করছিআসলে আমরা পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য চামড়াগুলো সংগ্রহ করে থাকি। বর্তমানে চামড়া সংগ্রহ করে আসলে লাভ নেই। অনেকে মনে করে চামড়া ছাড়া কওমি মাদরাসাগুলো চলবে না। এগুলা আসলে ভূল ধারণা। চামড়া ছাড়াও তো বর্তমানে কওমি মাদরাসাগুলো আরো ভালো চলছে।”


তারা বলেন, “চমড়াশিল্পের নিয়ন্ত্রণ যেন সরকারিভাবে করা হয়। বর্তমান সরকার ইচ্ছে করলে চামড়াশিল্পকে টিকাতে কাজ করতে। প্রয়োজনে চমড়া সরকার নিজে সংরক্ষণ করতে পারে। সরকার এ বছর  চামড়ায় প্রয়োজনে ভর্তুকি দিয়ে উপযুক্ত দাম নির্ধারণ করে চামড়া সংরক্ষণ করে রপ্তানি করে তুলে রপ্তানি করবে। সরকার যদি অন্তত এ বছর কোন উদ্যোগ না নেয় তাহলে চামড়া ব্যবসায়ী, আড়তদার, মূল ট্যানারী কারখানার মালিকগণ ও ধর্মীয়  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্থ হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন

error: কন্টেন্ট সুরক্ষিত!!