বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতা এম আবদুল্লাহ আজ তার ব্যক্তিগত ওয়ালে লেখেন, গতকাল ঢাকায় গণঅধিকারের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর উপর যে হামলা হয়েছে, তার প্রতিক্রিয়ায় তিতি বলেন
“ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মীর আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ভিডিওতে দেখা ওই ব্যক্তি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের দ্বারা একসময় আটক হলেও পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আমরা দ্রুত তাকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।’
একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে নুরকে পুলিশ বেষ্টনির মধ্যে নির্দয়ভাবে পেটানোর এক পর্যায়ে কয়েক পুলিশ ও সেনা সদস্য এগিয়ে গিয়ে মেরুন রঙের টিশার্ট পরা ব্যক্তির পরিচয় জানতে চায়। কিছু একটা পরিচয় দেওয়ার পর পুলিশ ও সেনা সদস্যরা থমকে যান। এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তি দৌড়ে পালাতে চাইলে আরেক দল পুলিশ তাকে আটক করে। কলার ধরে ধস্তাধস্তিও করে।
এখন পুলিশ কর্মকর্তা জানাচ্ছেন – তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আবার শনাক্তের চেষ্টা করছে। আজব ব্যাপার স্যাপার। কার নির্দেশে আটকের পর তাকে ছেড়ে দিতে হলো? পুলিশকে এর জবাব দিতে হবে? কোন ক্ষমতাধর শক্তি তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য করলো? এটা স্পষ্ট করতে যত দেরি করবেন, ততই শুক্রবার রাতে নুরকে শায়েস্তাকরণ মিশনের রহস্য ঘনীভূত হবে।
নুরদের ওপর আক্রমনে অংশ নেওয়া নীল হেলমেট পরা আরও একজনকে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা আটক করতে দেখা গেছে। ধস্তাধস্তিতে তারও জামা ছিড়ে যেতেও দেখা যায়। তার পরিচয় কী? দ্রুত তাদের হাজির করুন।