মার্চ ৬, ২০২৬ ০৭:০৫

ফেনীতে ১৫০ মন্ডপে দূর্গাপূজা নিরাপত্তায় পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি

মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার মো: হাবিবুর রহমান

নিজস্ব প্রতিনিধি :
চলতি বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজায় ফেনীতে ১৫০টি পূজামন্ডপ তৈরি হচ্ছে। পূজামন্ডপগুলোর নিরাপত্তায় জেলা পুলিশ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। জেলা পুলিশ দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সময়, পূজাকালীন সময়, প্রতিমা বিসর্জনের সময় নিরাপত্তার ছক তৈরি করেছে। গতকাল মঙ্গলবার জেলা পুলিশের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো: হাবিবুর রহমান।

এসময় জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ ছাড়াও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাষ্টার হীরা লাল চক্রবর্তী, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শুকদেব নাথ তপন, ঐক্য পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট সমীর কর, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক তপন কর, বিভিন্ন পূজা মন্ডপের সভাপতি/সম্পাদক, বিভিন্ন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ, পূজা ফ্রন্ট ও কল্যান ফ্রন্ট এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সুপার বলেন, পূজা মণ্ডপগুলোর গুরুত্ব বিবেচনা করে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫০ মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন হবে। পূজা মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় ৭০০ পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া মোবাইল টিম, গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপে ফিক্সড পুলিশ টিম, দুর্গম এলাকায় দ্রুত পৌঁছানোর জন্য মোটরসাইকেল টিম, ডিবি পুলিশের কুইক রেসপন্স টিম ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য পূজামন্ডপ ও আশপাশের এলাকা সাদা পোশাকে ডিএসবি পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

পুলিশ সুপার বলেন, পূজার ভেন্যু কেন্দ্রিক চুরি, ছিনতাই, ইভটিজিং কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এছাড়া যাতে কেউ গুজব ছড়িয়ে উস্কানি কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকবে। বৈঠকে পূজামন্ডপের শৃঙ্খলার স্বার্থে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পূজামন্ডপে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিসর্জন কাজ শেষ করা, বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা রাখা, যেকোনো প্রয়োজনে জেলা পুলিশের সংশ্লিষ্ট নাম্বারে কিংবা ৯৯৯ এ কল করা সহ পূজারীদের নানান দিক নির্দেশনা দেন।

জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শুকদেব নাথ তপন জানান, ২৮ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠিপূজায় শুরু হয়ে ২ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দূর্গাপূজা শেষ হবে। গত বছরের তুলনায় জেলায় ৩টি পূজামন্ডপ বেড়ে ১৫০টিতে দূর্গোৎসব পালন হবে। এর মধ্যে সদরের কালিদহ ইউনিয়নের চেওরিয়া গ্রামে ২টি, পৌরসভার সুলতানপুর ও ছনুয়া ইউনিয়নে ১টি করে ২টি মন্ডপ বেড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন