অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ১৬:২৬

জিয়া মহিলা কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায়: অধ্যক্ষ মাহাবুবুল করিমের বিদায়


নিজস্ব প্রতিনিধি : শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ভালোবাসায় দীর্ঘ ৩৩বছরের কর্মজীবন শেষে চাকুরী থেকে অবসর নিচ্ছেন ফেনী সরকারি জিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মাহাবুবুল করিম। গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে তাকে বিদায় সংবর্ধণা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষের সহধর্মিণী নাজনীন আক্তার, জ্যেষ্ঠ কন্যা নওশীন তাবাসসুম ও কনিষ্ঠ কন্যা সামিনাহ তাবাসসুম ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাবেক সহকর্মীরা অংশ নেন। উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আহাম্মদ হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. আজিজুল হক খান।
প্রভাষক নাজমুস সাকিবের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ফেনী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মোক্তার হোসেইন, রায়পুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল কাদের, দাগনভূ.া সরকারি ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মুলকেতুর রহমান, ফেনী সরকারি কলেজের গনিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর আমান উল্যাহ মজুমদার, দর্শন বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক আবু হানিফ, জিয়া মহিলা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক আবদুল মালেক, ইতিহাসের সহকারি অধ্যাপক মোশারফ হোসেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহকারি অধ্যাপক ফাতেমাতুজজোহরা সায়মা, ঢাকা কলেজের সহকারি অধ্যাপক ইকরাম হোসেন, আইসিটি প্রভাষক আবদুল্লা আল মামুন। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন দ্বিতীয় বর্ষের নুসরাত জাহান, প্রথম বর্ষের মুশফিকা তাজরিন, একাদশের তাসনিয়া জাহান।মানপত্র পাঠ করেন দ্বাদশ শ্রেনির সামিনা সুলতানা।
অনুষ্ঠানে ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর নুরুল আজিম ভূঁইয়া প্রমুখ অতিথিগণ উপস্থিত ছিলেন।
অতিথিগণ তাদের বক্তব্যে বলেন, প্রফেসর মোহাম্নদ মাহাবুবুল করিম ৩৩ বছরের কর্মজীবন থেকে বিদায় নিচ্ছেন। তিনি অত্যন্ত সফল শিক্ষক ও প্রশাসক ছিলেন। তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। শিক্ষা, শৃঙ্খলা, অগ্রযাত্রায় অনেক ভূমিকা রেখেছেন। তিনি অনেকের মাঝে উৎসাহ যুগিয়েছেন।
তারা আরো বলেন, একজন কর্মপ্রিয় মানুষের বিদায় হয়না। প্রফেসর মাহাবুবুল করিম কাজকে ভালোবাসেন। ব্যাডমিন্টন, ভলিবল খেলার মাঠ তৈরি করে গেছেন। তিনি যেখানেই থাকুক জিয়া মহিলা কলেজকে হৃদয়ে ধারন করবেন। অভিজ্ঞতার মূল্য অনভিজ্ঞরা মূল্যায়ন করতে পারবেনা। এজন্য সহকর্মীরা তাকে অনুসরণ করেন। সহকর্মী ও শিক্ষার্থী বান্ধব ছিলেন। অবসর নয়, সামাজিক ও মানবিক কর্মময় হোক সহকর্মীদের প্রত্যাশা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন

error: কন্টেন্ট সুরক্ষিত!!