জুলাই ১৪, ২০২৬ ০৫:৩২

চট্টগ্রামে বন্যার্তদের পাশে দাড়িয়েছে ফেনীর স্বেচ্ছাসেবীরা


নিজস্ব প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও বাঁশখালী, কক্সবাজার, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটিতে বন্যা কবলিত এলাকায় মানবিক সহায়তায় পাশে দাঁড়িয়েছে ফেনীর শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। গত তিনদিন ধরে ফেনী থেকে এসব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ত্রাণ নিয়ে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। আগামী কয়েকদিন আরো বেশকিছু সংগঠন সহায়তা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।


জানা যায়, অতিভারী বৃষ্টির ফলে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও বাঁশখালী। এতে বন্যা কবলিত বিভিন্ন গ্রামে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে ফেনী থেকে গত তিনদিনে শতাধিক সংগঠন কাজ করেছে।

এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ফেনী জেলা সেচ্ছাসেবক পরিবার, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, টিম আবু তালেব, ফেনী টার্ফ এক্সপ্রেস, ছাগলনাইয়া ব্লাড ডোনার্স ক্লাব, পরশুরাম ফ্রেন্ডস ইউনিটি ব্লাড ডোনার ক্লাব ও রাহবার, তারুণ্যের বন্ধন, পরিবর্তন, এফবিডিএ, গ্রিন ফোকাস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, লাইফ ফর হিউম্যান ফেনী, মধুয়াই ফাউন্ডেশন, পশ্চিম সুলাখালী যুব সমাজ কল্যাণ সংঘ, একতা সামাজিক সংগঠন, জি.ভা. সমাজ কল্যাণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন, ফুলগাজীর মুন্সিরহাট যুব শক্তি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ইলা মিত্র যুব মহিলা সমাজ কল্যাণ সংস্থা, রিভার ডেল্টা ডি এক্স ক্লাব ফেনী, উম্মাহ ব্লাড ডোনেশন ক্লাব, হিউম্যানিটি ইজ লাইফ, ফাজিলপুর সাতবাড়িয়া মানবিক ফাউন্ডেশন, আল ইনসান ফাউন্ডেশন, ফেনী জেলা ছাত্র ফোরাম, অগ্রণী ব্লাড ফাউন্ডেশন, মানব সেবা সংস্থা ও ফেনী ওয়েলফেয়ার ব্লাড ফাইটার্স সহ আরো বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।


গতকাল সকালে ফেনী পুরাতন জেল রোডে এলইডি স্ক্রিনে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ খেলা চলাকালীন দর্শকদের থেকে বন্যার্তদের জন্য আর্থিক সহায়তা নেয়া হয়।
এছাড়া ২ শতাধিক প্যাকেট নিয়ে আজ আমরা যুবরা চাই পরিবর্তন, সচেতন বাংলাদেশ ও টুগেদার ফর চেঞ্জ নামে ৩টি সংগঠনসহ বেশ কিছু সংগঠন সহায়তা নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।


স্বেচ্ছাসেবী সংগঠক নিশাদ আদনান বলেন, “আমাদের স্বেচ্ছাসেবক পরিবারের অধীনে থাকা ৩৫টি সংগঠন ত্রাণ সহায়তা নিয়ে গেছে। আরো কিছু যাবে আগামী কয়েকদিনে। এর বাহিরেও আরো অনেক সংগঠন গিয়েছে। সব মিলিয়ে শতাধিকেরও বেশি হবে। শুকনো খাবারের পাশাপাশি পশু খাদ্য নেয়া হয়েছে।”


নিসআর সাবেক জেলা সভাপতি জিয়া উদ্দিন বলেন, “গতকাল আমরা স্বেচ্ছাসেবকদের একটি প্রতিনিধি দল সাতকানিয়া ও বাঁশখালীতে এসেছি। আজ বন্যার্তদের সহায়তা করেছি। আমাদের সহায়তায় ছিলো মুড়ি, চিড়া, বিস্কুট, পানি, পাউরুটি, গুড়, ন্যাপকিন, শিশুদের খাবার, প্যারাসিট্যামল, স্যালাইন, ডায়রিয়া ও এলার্জির মেডিসিন, এবং মোমবাতি ও দিয়াশলাই।”


সোহরাব হোসেন শাকিল বলেন, “বন্যার্তদের সহায়তায় আমরা কাল যাবো। তাদের পাশে এদুর্যোগময় সময়ে দাঁড়াবো। এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের পাশাপাশি সবাই চট্টগ্রাম এর পাশে এগিয়ে আসার আহবান জানাই।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন

error: কন্টেন্ট সুরক্ষিত!!