নোয়াখালী প্রতিনিধি :
নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদী থেকে প্রকাশ্যে জান্নাতুল মাওয়া মুক্তা (১২) নামের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। ওইসময় অপহরণকারীরা ভিকটিমের মা, চাচা, দাদাকে মারধর করে জখম করে। মঙ্গলবার বিকালে নোয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন অপহৃত ছাত্রীর মা বিবি আয়েশা। এসময় তার পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিবি আয়েশা অভিযোগ করে বলেন, জান্নাতুল মাওয়া মুক্তা কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের করমবক্স আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। চলতি বছরের ১৬ জুলাই বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে প্রধান অভিযুক্ত রনি তার লোকজন নিয়ে মুক্তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় নারী ও শিশু আদালতে মামলা দায়েরের পর গত ১৪ আগস্ট পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে আদালতের নির্দেশে মুক্তাকে নিয়ে আসার পর দুপুরে আদালতে কাজ শেষ হওয়ার পর সিএনজি যোগে বাড়ি ফেরার পথে জজ কোর্টের সামনে সন্ত্রাসী রনির নেতৃত্বে ২০/২৫ জন কিশোর গ্যাং সদস্য তাদের ওপর হামলা চালায়। এসময় তারা মুক্তার মা, চাচা ও দাদাকে মারধর করে অস্ত্রে মুখে জিম্মি করে মুক্তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর থেকে মেয়ের কোন খবর পাচ্ছে না পরিবারের লোকজন।
বিবি আয়েশা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। একই সাথে দ্রুত সময়ের মধ্যে মুক্তাকে উদ্ধারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সুদৃষ্টি কামনা ও সন্ত্রাসী রনিসহ তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
জানা গেছে, অভিযুক্ত রনির এক ফুফু মুক্তাদের বাড়িতে থাকে। তার সূত্রধরে কবিরহাট ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের মকবুল চৌধুরী হাটের তাদের বাড়ি থেকে রনি এ বাড়িতে প্রায় আসা যাওয়া করতো। একপর্যায়ে রনি বিভিন্ন ভাবে মুক্তাকে ইভটিজিং করতো। এসব বিষয়ে তার পরিবারে জানানোর পর সে মুক্তাকে অপহরণ করার পরিকল্পনা করে এবং দুই দফা অপহরণ করে।