নিজস্ব প্রতিনিধি : ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নে আবদুল কুদ্দুস নামে এক যুবদল কর্মীকে অপহরন করে চাঁদাদবী সাদা স্টাম্প স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ধলিয়া ইউনিয়নের মধ্যম ধলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় মঙ্গলবার বিকালে ভুক্তভোগী যুবদলকর্মী আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছে। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ধলিয়া গ্রামের রহিম উল্লার ছেলে, আবদুল কুদ্দুস চৌধুরীর সাথে একই গ্রামের আবুল কালামের ছেলে দেলোয়ার হোসেন টুকুর ব্যবসায়িক টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ বেশ কয়েকবার সালিসি বৈঠক হয়েছে।
উক্ত বিরোকে কেন্দ্র করে সোমবার রাতে ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মো. সবুজ, শ্রমিকদলের নেতা মো. সোহাগ, মো. হারুন, মো. আমিন, মো. ফারুক, মো. বেলাল, মো. জহির মো. দুলাল, মো. ইলিয়াছ, শহীদুল ইসলাম সহ আরো অজ্ঞাত কয়েকজন রাত সাড়ে ৮টার সময় আবদুল কুদ্দুস চৌধুরীর দোকানের সামনে থেকে জোর করে অপহরণ করে তুলে নিয়ে সাথে থাকা ১লাখ ৪১হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে ৪টি সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেয়। খবর পেয়ে জেলা বিএনপির আহবায়ক গাজী হাবিব উল্লাহ মানিককে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ধলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জসিমকে জানালে তিনি অপহরনকারীদের সাথে যোগাযোগ করে। আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী কে রাত সাড়ে ৯টায় ধলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির অফিসে হাজির করে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিষয়টি সামাধা দেয়ার শর্তে দুপক্ষকে শান্ত থাকতে বলে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুবদল নেতা জাকির হোসেন জসিম বলেন ওদের দীর্ঘ দিনের বিরোধ রয়েছে, এনিয়ে বেশ কয়েকবার সালিসি বৈঠক হয়েছে, সালিশ চুড়ান্ত পর্যায় এমন সময় ৭ সেপ্টেম্বর রাতে এ ঘটনার শুনে আমি উভয়কে ধলিয়া বাজারে ডেকে নিয়ে এসেছি যাতে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, ভিকটিম আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।