দৈনিক ফেনীর সময়

পরশুরামের যুবলীগ আহবায়ক ইয়াছিনের গ্রেফতারে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া

পরশুরামের যুবলীগ আহবায়ক ইয়াছিনের গ্রেফতারে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি :

পরশুরাম উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক, বিআরডিবির চেয়ারম্যান ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন শরীফ মজুমদারের জামিন না মঞ্জুরের পর ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তারা অবিলম্বে নি:শর্ত মুক্তি দাবী করেন।

গতকাল ইয়াছিনের স্ত্রী নাজিয়া সুলতানা আনিকা তার গ্রেফতার নিয়ে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, “আশা করি এখন আপনারা সবাই খুশি হয়েছেন। ইয়াছিন গ্রেফতার হয়েছে।”

স্ট্যাটাসটি দেয়ার পরই কমেন্টে অনেকে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ায় নানারকম মন্তব্য করেন। সেখানে অনেকে করোনাকালে ইয়াছিনের ভূমিকা তুলে ধরেন।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম খাঁন লিখেছেন, “তীব্র নিন্দা জানাই। ইয়াছিনের মত শিক্ষিত, পরোপকারী ও ভালোমনের যুবনেতাকে প্রতিহিংসাপরায়ণ মিথ্যা মামলায় হয়রানী করা নোংরা রাজনীতির বহি:প্রকাশ। প্রিয় ব্যক্তিত্ব নাসিম ভাইয়ের নিজ এলাকায় অন্তত এটা কামনা করিনি। প্রবল প্রত্যাশা করি তিনি একটা সুন্দর সমাধান করবেন।”

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল বাশার সবুজ লিখেছেন, “পরশুরাম কি নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা হয়ে গেছে। সেখানে কয়েকটা লাশ পড়ার অবশেষে মিষ্টি মুখ করে তাহাদের মিলন হয়ে ছিল। তাই প্রিয় নেতারা বসে আছে লাশ পড়ার মিষ্টি মুখ করে মিলন করে দিবে। ত্যাগী নেতাকর্মীরা এভাবে দলের সুদিনে শেষ হয়ে যাবে। আর দলের দুঃসময়ে আজকের বসন্তের কুকিলরা হারিয়ে যাবে।”

ফেনী জেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাবেক যুব প্রধান আমিনুল ইসলাম হাজারী রূপক লিখেছেন, “বিশ্রি ও মিথ্যা মামলার শিকার। সকল অপরাজনীতির অবসান হোক।”

জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্রিকেট উপ-কমিটির সদস্য ও ফ্রেন্ডশীপ ক্রিকেট ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম অপু লিখেছেন, “অত্যন্ত দু:খজনক ও নিন্দা জানাই।”

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠক আমের মাক্কী লিখেছেন, “আমি অবাক হয়েছি। করোনার সময় নিজের জীবনবাজী রেখে লাশ দাফন করে, পরশুরামের শত শত মানুষকে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়ার পুরস্কার হয়তো। তিনি রাজনীতি করে, রাজনীতিতে মামলা হামলা স্বাভাবিক ব্যাপার। তাই বলে এমন পজেটিভ মানুষটাকেও জেল খাটতে হবে কেন?”
ফ্রেন্ডস ইউনিটি ব্øাড ডোনার ক্লাবের সদস্য নাঈম লিখেছেন, “অক্সিজেন সেবা নিয়ে যে মানুষটি করোনাকালীন সময়ে রাত-দিন যেকোনো সময়ে ছুটে গিয়েছেন। দিয়েছেন সেবা, বাঁচিয়েছেন জীবন আজ সেই মানুষটিকে সন্ত্রাসী বানিয়ে গ্রেফতার।”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কন্টেন্ট সুরক্ষিত!!